কক্সবাজারে বিসর্জনের ভিড় এড়াতে দীর্ঘতম সৈকত পাড়ে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা

জাফর আলম,কক্সবাজার।
করোনা আবহে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে বিসর্জন এবার অনেকটাই ফিকে। এবার কক্সবাজার শহরের প্রতীমাগুলোই বিবর্জিত হয় কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে। এবার নেই বির্সজন শোভা যাত্রা। ছিল না রং ছিটানো ও আতশবাজি ফুটানো খেলা।
করোনা আবহে এবার মুখে মাক্স পড়ে হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে সব নিয়ম-নীতি মেনে সিঁদুরখেলা এবং প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।পর্যটন শহরের বৃহৎ স্বরসতি
বাড়ি পূজা মন্দীরের সদস্যরা মাকে বিসর্জন দিতে হাজির হয়েছিল সৈকত পাড়ে।
সোমবার(২৬ অক্টোবর)দুপুরে সব নিয়ম-নীতি মেনে ভক্তদের কাঁধে চড়ে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বিসর্জনের জন্য।শোভাযাত্রাবিহীন বিশ্বের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। সেখানে আনুষ্ঠানিক কোন অনুষ্ঠান করা হয়নি।এবার সৈকতে শুধু রামু, উখিয়া সদর উপজেলা ও কক্সবাজার পৌর শহরের প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। বাকিরা স্ব স্ব উপজেলায় প্রতিমা বিসর্জন দেন।
প্রতীমা বিসর্জনে জেলা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য, ফায়ার সার্ভিস বাহিনী ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ট্যুরিস্ট পুলিশের উদ্যোগে সৈকতপাড়ে নির্মিত করা হয় বেশকয়েকটি অস্থায়ী পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। সেই সব টাওয়ার থেকেই পুরো সৈকতের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
সব মিলিয়ে এবার সৈকত পাড়ে পুরো কক্সবাজার জেলার প্রতিমা বিসর্জন অনেকটাই ফিকে।সোমবার সকাল থেকেই সৈকতপাড়ে কিছু ভক্ত দর্শনার্থী আসলেও তাঁদের চোখে মুখে ছিল বিষাদের সুর।
সৈকত পয়েন্ট গুলোতে ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া প্রশাসনিক নিরাপত্তা। সব মিলিয়ে টানা পাঁচদিন মৃন্ময়ীরূপে মন্ডপে মন্ডপে থেকে আজ ফিরে গেছেন কৈলাশে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে। দূর কৈলাশ ছেড়ে মা পিতৃগৃহে আসেন দোলায় চড়ে। আজ সোমবার বিজয়া দশমীতে বিদায় নিলেন ঘোড়ায় চেপে।

পূর্ববর্তী পড়ুন

হাজী সেলিমের ছেলের এক বছরের জেল

পরবর্তী পড়ুন

Cox’s Bazar Tight security along the longest beach to avoid the crowds

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

17 + nineteen =

সর্বাধিক পঠিত